md_sadman_sadik md_sadman_sadik

723 posts   30,336 followers   65 followings

Sadman Sadik  You can buy 'Student Hacks' on: http://bit.ly/BestSellersBook

মানবতার দেয়ালের কনসেপ্টটা অনেকেরই জানা। দেয়ালে হ্যাঙ্গার টানিয়ে দিবেন একটা। যার দান করার ইচ্ছা, হ্যাঙ্গারে কাপড় ঝুলিয়ে রেখে যাবে। আর যার কাপড় লাগবে, সে নিয়ে যাবে । খুবই সিম্পল একটা কনসেপ্ট। সিম্পল কনসেপ্ট হওয়ায় অনেক দেয়ালেই এটা বানিয়ে দেয়া হচ্ছে। এমন আইডিয়া আমার খুব ভালো লাগে। খুবই সাধারণ একটা চিন্তা। দেখার পর মনে হয়, আরে! এটা আগে মাথায় আসে নাই কেন? আরেকটা ব্যাপার হল যে কোন পরিকল্পনা করা সহজ। কিন্তু, বাস্তবায়ন করতে গেলে না জানি কত জটিলতা। অধিকাংশ সময়ে চিন্তা করতে করতে, মানুষ জোগাড় করতে করতে মাস চলে যায়। আর দীর্ঘকালীন এই কাজগুলোর অ্যাকশনের সাথে সরাসরি এফোরটের যোগাযোগটা করতে না পারায় অনেক প্রজেক্ট আর টানা হয়না কারণ কাজের বাস্তবায়ন শর্টটার্মে ঠিকমত দেখা যায় না। কিন্তু, মানবতার দেয়ালের মত প্রজেক্টগুলি নিজেই নিজের বাহ্যিক প্রচারণা হওয়ায় গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি মনে হয় :D

#Dhaka #Bangladesh #society #work #help #donation #idea

রঙিন দুনিয়া! নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছবি তোলার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ @sakibul_alam_
😇

#colorful #bright #color #design #life #dhaka #Bangladesh #photograph #photography #sadman #sadik #নববর্ষ #বৈশাখ #ঢাকা #বাংলাদেশ #রঙিন

Up up and away!

কাল কী পরশু হবে, কথাবার্তায় একটা বিষয় উঠে আসলো- 'Legacy Project'। একদম সোজা বাংলায় বললে- আপনার মৃত্যুর পর যেই জিনিসগুলো আপনার ইতিবাচক পদচিহ্ন পৃথিবীতে রেখে যাবে সেগুলোর কথাই বলা হচ্ছে। 'Legacy Project' এর কথা শুনলে কিছু প্রশ্ন মাথায় আসে যেমনঃ
১। আমাকে মনে রাখবে এই নিয়তে যদি কোন কাজ করি, তাহলে তো আমি নিজের স্বার্থে কাজ করছি। কাজটা তো তাহলে সেলফিশ হয়ে গেল। অন্যদের জন্য কাজ করলে 'মানুষ মনে রাখবে কি রাখবে না?' এই প্রশ্ন নিয়ে কি আদেও ভাবতাম?
২। সবচেয়ে কমন 'Legacy Project' কী হতে পারে? আমার মনে হয় সন্তান নেয়াটা সব থেকে কমন 'Legacy Project'। অথবা মৃত্যুর পর একটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউণ্ট রেখে যাওয়াই মনে হয় ডিজিটাল জুগের সবথেকে কমন 'Legacy Project'। কিন্তু, 'Legacy Project'-টা ভালো না খারাপ, এটাও একটু ভেবে দেখার বিষয় কারণ 'Legacy Project' ব্যাপারটার কোন বাঁধাধরা সংজ্ঞা তো এখনও দাঁর করিনি। মৃত্যুর পর অস্তিত্যের চিহ্ন হিসেবে সন্তান ছাড়া অন্য কোন কিছুই না থাকলে সেটা কি ওই মানুষের ব্যার্থতা? এমন কি সন্তানও যদি না থাকে, মানুষটি যদি একদম নিশ্চিহ্নও হয়ে যায়; তাহলে পদচিহ্ন না রেখে যাওয়ার সাথে কি মানুষটির শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপনের কোন সম্পর্ক আছে? মানে, 'Legacy Project'-কি কোনভাবেই একজন মানুষের 'সফলতার'* মাপকাঠি? (সফলতার সংজ্ঞা আমি আপনার উপর ছেড়ে দিলাম)
৩। মারা যাবার পর মনে রাখার মধ্যে আমরা গৌরব কেন খুঁজি? যুগে যুগে এমন অনেক সেনাপতি, যোদ্ধার গল্প শুনেছি যাদের ফিলোসফি ছিল, 'এমন কাজ করবো যেন মৃত্যুর পরও মানুষ আমাকে মনে রাখে! '।মারাই যদি যান তাহলে মানুষ মনে রাখা না রাখায় আপনার কী যায় আসে। কিন্তু হ্যাঁ, আপনি যদি বলেন যে আপনার ভালো কাজগুলোর জন্য পরকালে ভালো থাকবেন, সওয়াব পাবেন তাহলে সেটা আমার কাছে বোধগম্য। কিন্তু, যারা কেবল 'মানুষ মনে রাখবে'-এই কারণে কাজ করে তাদের যুক্তিটা কী হতে পারে? মনে হয় হারিয়ে যাবার ভয়টা খুব মৌলিক একটা মানবিক স্বভাব। অথবা এমনও হতে পারে যে, মৃত্যুর পরও মানুষ মনে রাখার ভাবনাটি একটা 'Larger than life' অনুভূতি তৈরি করে।
৪। 'Legacy Project' টার্মটা শুনতে অনেক ভারী মনে হয়, কিন্তু এটা কি আসলেই দরকার? নাকি নিজের মনের সান্ত্বনা মিলে জন্য নিজে থেকে গুরুত্ব আরোপ করি? #sadman #sadik #thought #dhaka #bangladesh #life #legacy

lacked some spark I guess!

Paulo Coelho-এর এই স্ট্যাটাসটা দেখে একটা অন্যরকম আনন্দ লেগেছিল। কিন্তু, এটা নিয়ে বলার আগে ৪/৫ বছর আগের আরেকটি মুহূর্ত মনে পড়ে যায়। তখন বোধয় এইচএসসি দেয়া শেষ। একদিন শুক্রবার আমার বন্ধু জাওয়াদের বাসায় সবাই গেলাম। তখন আমার বই পড়ার অভ্যাস ছিল না। খালি পাঠ্যপুস্তকই পড়তাম। তো কী বলতে কী জানি এক সময় জাওয়াদকে বললাম, 'দোস্ত, একটা বই দে। যেটা তো সব থেকে ভালো মনে হয়।' সে দিন জাওয়াদ আমাকে Paulo Coelho-এর The Alchemist দিয়েছিল। ওটাই আমার পড়া মনে হয় প্রথম পাঠ্যপুস্তকবহির্ভূত কোন বই।
আর বই দেয়ার সময় ফেরত দেয়ার উপর জোড় দিয়েছিল। আমি তখন বুঝিনি যে পড়া বই ফেরত নেয়ার মধ্যে এমন কীই বা কারণ আছে। এখন অবশ্য বুঝি। বই পড়া একটা নেশা হলে, বই সংগ্রহ করা আরও ভয়ানক আরেক নেশা :3
যাই হোক, এখন ছবির প্রসঙ্গে আসি। যখন একজন লেখক/লেখিকা নিজের পাইরেটেড বইয়ের বিক্রিকেও সম্মানের সাথে দেখেন, তখন তার প্রতি মন থেকে একটা সম্মান আসে। আমি কখনই বলবো না যে, পাইরেটেড বই হলে কোন সমস্যা নেই। আমরা যতদিন জ্ঞান কিংবা সাহিত্যচর্চার মূল্য দিতে পারবো না ততদিন আমরা খুব বেশি ভালো লেখনীও পাবো না বলে আমি মনে করি। কিন্তু, বাস্তবে কোটি কোটি টাকার বই পাইরেটেড হচ্ছে। ধুপধাপ পিডিএফ বের হচ্ছে। এমন অবস্থায় আর্থিক ক্ষতির কথা চিন্তা করে অনেক লেখক/লেখিকাই মন খারাপ করে বসতে পারেন। সমাজের প্রতি ঘৃণা তৈরি হলেও আমি ব্যাপারটা বুঝতে পারবো। কিন্তু, এই ব্যাপারটাকে ইতিবাচকভাবে নেয়াটা বড় মাপের মানুষের পরিচয় তো দেয়ই, বরং চিন্তার দিক থেকে অনেক অগ্রগতির ইঙ্গিতও দেয় বলে আমি মনে করি। কারণ, নিজের লেখনী অন্যরা পড়ছে দেখেই যে মানুষটি খুশি, তিনি আমার মনে হয় আসলে নিজের মনের খুশিতেই লেখেন, অর্থের জন্য নয়। এমনটা নয় যে, অর্থের জন্য লেখা খারাপ কোন ব্যাপার। কিন্তু, কেবল নিজের মনের ইচ্ছা থেকে যেই লেখা সেটার মধ্যে আলাদা একটা মাহাত্য আছে।
আর হ্যাঁ, নিজের কাজ অন্যরা চুরি করলে এটাকে সহজভাবে নেয়ার মাঝেও একটা বুদ্ধিমত্তার আঁচ আছে। আপনি কয়জনের পেছনেই বা মামলা করবেন? মামলা করে যা না উদ্ধার করতে পারবেন, ওই সময়টাতে নিজের কাজ করলেই বরং আরও বেশি লাভবান হবেন। আর অন্য কেউ আপনার কাজ নকল করলে এটা প্রশংসা হিসেবে অনেক জায়গায় নিতে বলা হয়। সে চোরটা কাজটা অনেক পছন্দ করে, কিন্তু নিজে অর্জন করে নিতে না পারায় চোরের মত লুকিয়ে কপি করে ফেলেছে। আর আপনার জিনিস যত মানুষ নিজের করে বলে বেরাবে, আপনি ক্রেডিট না পেলেও আপনার মেসেজ পৃথিবীতে ছড়িয়ে যাবে- এভাবেও দেখা যায় ব্যাপারটা :3

#sadman #sadik #paulocoelho #book #writer #piracy #Dhaka #Bangla #Bangladesh

ছবির সাথে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক একটি ক্যাপশন :3
আজকে দৌড়াতে বের হয়েছিলাম। দিয়াবাড়ি গিয়ে দেখি কালো মেঘ ধেয়ে আসছে। ধারণার চেয়ে একটু দ্রুতই বৃষ্টি চলে আসায় একটা বাসার সামনে আটকে গিয়েছিলাম। এক রিক্সাচালক ওই বাসাতেই যাত্রী নামিয়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় আমার বিজ্ঞবন্ধুর বাণীর কথা মাথায় আসলো। আমার (বিজ্ঞ) বন্ধু ফারহান সব সময় ভিন্ন কোন অভিজ্ঞতা নেয়ার কথা বলে। এটা হতে পারে যে কোন নতুন কিছু। যেমন বিকেলে হয়তবা বন্ধুদের নিয়ে কোথাও ঘুরতে গেলেন। এমন এক জায়গায় আসলেন যেটা সকালে ঘুম থেকে উঠার পর চিন্তাও করেন নি যে এমন জায়গায় ৭/৮ ঘণ্টা পর আসবেন। কিংবা কোন বন্ধুর বাসায় গিয়ে মাটিতে শুয়ে থাকা... মানে একদম র‍্যান্ডম কিছু একটা যেটা আপনি নিজেও ভাবেননি যে আপনি করতে যাচ্ছেন। ... অনেক অপ্রাসঙ্গিক ব্যাপার বলে ফেললাম মনে হচ্ছে...
যাই হোক, বন্ধুর ফিলোসফি থেকে মাথায় আসলো যে বৃষ্টির মধ্যে রিক্সা চালালে একটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। তো রিক্সাচলককে বললাম যে, 'ভাই, আপনি রিক্সায় পলিথিন নিয়ে উঠেন। আমি একটু রিক্সা চালাই।' উনি বললেন যে এতো সোজা না, এটার ভিন্ন একটা মাপ আছে আরও অনেক কিছু। আমিও ছাড়বো না :3 আমি আমার সাইকেল আর গাড়ি চালানোর পূর্বঅভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করলাম। উনি বললেন যে, রিক্সার মাপ অন্য সবকিছু থেকেই ভিন্ন। তারপর কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর উনিও হয়তবা ভিন্ন একটু অভিজ্ঞতার জন্য রাজি হয়ে গেলেন। (ভিন্ন অভিজ্ঞতা নাও হতে পারে কারণ, রিক্সাচালকরাও তো রিক্সায় চরেন বিভিন্ন কাজে)
তো আমি উনার পলিথিনের নিচে ফোন দিয়ে রিক্সা চালানো শুরু করলাম।
তো... রিক্সা চালানোর আসলেই ভিন্ন একটা মাপ আছে :3 চালানোর সময় ভয় লাগছিলো যে কোন গাড়ির গায়ে লাগলে খবর আছে। গাড়ির গায়ে আঁচড় লাগালে আমি ক্ষতিপূরণ দিতে পারলেও, এইসব মানুষকে মনে হয় দিনশেষে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্যও চড় খেয়ে বসতে হয়। এবং হ্যাঁ, একটা মানুষকে রিক্সাসহ চালানোর জন্য শুরুতে বেশ জোর লাগে। একদম দাঁড়িয়ে প্যাডেল মারা লাগে। এরপর থেকে রিক্সায় চরলে আজীবন ব্যাপারটা মাথায় থাকবে। পারলে উঁচু ঢালে ওঠার সময় রিক্সা থেকে ক্ষণিকের জন্য নেমে যাবো... #instadiary #life #experience #life #sadman #sadik #Dhaka #Bangladesh

The legendary @morshed_mishu is in the house. Congratulations to him for being in Forbes 30 under 30 :D

#Dhaka #bangladesh #forbes #forbes30under30 #morshedmishu #aymansadiq #sadmansadik

My reading spot. I am always on a lookout for open space. Better if it's windy. Things may not always go according to plan, but I can always count on my rooftop reading time to reboot fresh :D

BTW, my other go-to open place is Diyabari :D

#reading #breath #fresh #air #book #sadman #sadik #life #bliss #happiness #Dhaka #Bangladesh #walk #freetime #leisure

Most Popular Instagram Hashtags